Published: March 11, 2019

স্ত্রীর মামলায় পরাজিত স্বামী-সে চায় সন্তানের অধিকার”শেষ পর্ব

মো.জাহিদুল হাসান জাহিদ-নীলফামারীর সৈয়দপুর নিচু কলোনীর সুমনের জীবনের আড়ালে লুকিয়া থাকা যতো দুঃখ কষ্ট আর অপমানে জর্জরিত একটি সত্য ঘটনা- স্ত্রীর মামলায় পরাজিত স্বামী,সেও একজন পিতা৷ এই ঘটনার আজ শেষ পর্ব-একটি থাপ্পরে ভালবাসর তিনটি জীবন এমন পরিনতি হবে তা কারোই জানা ছিল না৷যেহেতু সুমনের শশুড় সুমনের মায়ের বড় ভাই, তাই তাঁরা কৌশল করে সুমনের মাকে বুঝিয়ে পড়িয়ে তাদের মেয়ে ও নাতনীকে ঢাকায় নিয়ে যায়৷সুমনের ছোট শিশু সন্তান সুমায়ই ইসলাম মুন তখন মায়ের কোলে৷সুমনের মা কখনো ভাবেনি তাঁর বড় ভাই ও ভাবীর মনে এতো বিষ ছিল৷ঢাকায় ফিরে সুমনের শশুর শাশুড়ী এবং বড় শালা ও বিদেশী শালি ও তাঁর স্বামী মিলে সুমনের স্ত্রীকে সুমনের বিরুদ্ধে কান মন্ত্র দিয়ে বিষিয়ে তোলে৷আর এই কানমন্ত্রের কারণে ছোট শিশু সুমাইয়া তাঁর বাবার আদর স্নেহ ভালবাসা থেকে আজ বঞ্চিত৷ সাথে তাঁর ও তাঁর স্বামীর জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সে দিকে সুমনের স্ত্রী কখনও ভেবে দেখেনি৷যেভাবে তাঁর বড় ভাই স্বামী সুমনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে বলেছে, সে ভাবে চলছে সুমনের স্ত্রী৷সুমন ঢাকায় গিয়ে যখন তাঁর স্ত্রীকে আনতে যায়, তখন তাঁর শালা মার পিট দিয়ে সুমনকে পুলিশের হাতে তোলে দেয়৷শুধু এখানে শেষ নয়৷পরে শালার চক্রান্তে তাঁর স্ত্রী নারী নির্যাতন মামলায় সুমনকে ছয় মাস জেল খাটতে হয়৷জেল থেকে ফিরে সুমন আবার সন্তান ও স্ত্রীকে দেখতে যায়৷ আবার তাকে জেল খাটতে হয়৷এরপরও স্ত্রী ও সন্তানকে কাছে পেতে মরিয়া হয়ে উঠে সুমন৷ভাগ্যের নির্মম পরিহাস৷ সন্তান স্ত্রীর দেখাতো পেল না৷অথচ হাতে পেল স্ত্রীর দেয়া তালাকনামা৷সুমনের জীবন থেকে উনিশটা বছর চলেগেল৷এখনও সে অন্য কোন মেয়েকে বিবাহ করেনি৷আর কোন দিন কোন মেয়েকে বিবাহ করবে না সে৷
তাঁর এখন দিন কাঁটে একমাত্র মেয়ে সুমাইয়া ইসলাম মুনের চিন্তা ভাবনায়৷৷কেউ কি পারবে সুমনের সন্তানের পিতার অধিকার ফিরিয়ে দিতে৷সুমন দুঃখ ভরা আক্রান্ত মন নিয়ে জানায়,স্ত্রীর মামলায় পরাজিত স্বামী আমি৷কিন্তু একজন পিতা হিসেবে কি তাঁর সন্তানকে ফিরে পাবে না৷মুন তুমিই পারবে তোমার বাবা মায়ের ভাঙ্গা সম্পর্ক ঠিক করতে৷মুন তোমার অপেক্ষায় পথের এক প্রান্তে অপেক্ষামান শুধুই একজন পিতা৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *