Published: October 3, 2019

সৈয়দপুরে সাংবাদিককের ভাগ্নার মোটরসাইকেল নিয়ে লাপাত্তা প্রতারক বন্ধু


এম,জেড,হাসান-কলেজে পড়ুয়া বন্ধু,বন্ধুত্বের আত্মবিশ্বাস,সরলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক বাটপার তার সেনা সদস্য বন্ধুর টিভিএস মোটরসাইকেল নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে।ওই প্রতারকের নাম সালেহীন ইকবাল।সে কহিতো ওলামালীগের সভাপতি নাদিম আশরাফীর ছেলে।
বুধবার(২অক্টোবর) সৈয়দপুর থানায় ওই অভিযোগ করা করা হয়।
অভিযোগে জানাযায়,নীচু কলোনির সৈয়দপুর সেনাবাহিনীর বেসামরিক কর্মচারী মো.জামান হোসেনের সন্তান ও সংবাদ কর্মী মো.জাহিদুল হাসান জাহিদ’র ভাগ্নে সেনাবাহিনীতে কর্মরত সেনা সদস্য মো.মাহিদুল হাসান এর ক্যান্ট পাবলিক কলেজে অধ্যায়নের সময়ের বন্ধু মিস্ত্রি পাড়ার মো. নাদিম আশরাফীর সন্তান সালেহীন ইকবাল,গত ২৮ আগস্ট-১৯ তারিখে মোবাইল ফোন করে মাহিদুল কে বলে যে,তার চাচা কে বিমানবন্দরে পৌছাতে হবে দুই দিনের জন্য তোর মোটরসাইকেল নিবো আর আমার গাড়ি তোদের বাসায় থাকবে।মাহিদুল বন্ধুত্বের বিশ্বাসে সরলতা মনে তার বাবা কে মোবাইল ফোনে সালেহীন কে তার মোটরসাইকেল দিতে বলেন।সালেহীন টিভিএস আরটিআর রেজিস্ট্রেশন নম্বর-ল-১১-২১১০,চেসিস নং MD624HC16G2F32203,ইঞ্জিন নং C1F6224370, রং কালো, ওজন-১৩০কেজি মোটরসাইকেলটি দুই দিনের কথা বলে নিয়ে যায়।মোটরসাইকেল ফেরত না দিয়ে সালেহীন নানা ছলচাতুরি আরম্ব শুরু করে।তাকে মোবাইল দিলে ফোন রিসিভ না করে মোবাইল ফোনের ম্যাসেজে বলে,দিনাজপুর,নীলসাগর মোড়,জিআরপি মোড়ে এসে মোটরসাইকেল নিয়ে যাও।আবার কখনো ০১৩১৪২৪০৭৯৯ও ০১৪০০৩২৮৮৪০ নম্বর ফোনে ম্যাসেজ দিয়ে বলে যে,মোটরসাইকেল টি একজায়গায় আটকে গেছে ছারিয়ে আনতে ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হবে।মাহিদুলের পরিবারের লোকজন সালেহীনের মা,বাবা এবং ওই এলাকার কাউন্সিলর তারিক আজিজ কে বিষয়টি জানান।সালেহীন এর বাবা মা নানা অযুহাত দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যায়।পরে মাহিদুলের বাবা সালেহীনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
এব্যাপারে নাদিম আশরাফীর সাথে যোগাযোগ করা হলে,সে তার ছেলের বিভিন্ন অপকর্মের কথা বলেন।সে এমনটিও বলেন, যে সালেহীন বিভিন্ন অপকর্ম করাতে তাকে বাসা থেকে বাহির করে দেয়া হয়েছে বলে জানান।
এদিকে ওই এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে জানাযায়,সালেহীন একটি বাটপার।সে তার বাবার সাথে প্রতারণা করা সহ মানুষের সাথেও চিটারী বাটপারি করে বলে জানান তারা।
এব্যাপারে,সালেহীন এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। সে কারো ফোন ধরে না।
সৈয়দপুর থানা ইনচার্জ(ওসি)শাজাহান পাশা বলেন,মোটরসাইকেল বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছেন জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *