Published: October 9, 2019

সৈয়দপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের সুকৌশলে কোচিং বাণিজ্য

ডেস্ক রিপোর্ট-নীলফামারীর সৈয়দপুরে সরকারী বিধিনিষেধ অমান্য করে সুকৌশলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানাগেছে, অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষকের নাম মো.আব্দুল বাতেন।সে নীলফামারীর সদর চড়াইখোলা ইউনিয়ন ডিকশো সোনাখুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দর সড়কস্হ ক্যান্ট বাজারের সামনে মামুনের একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে প্রচেষ্টা কোচিং সেন্টার নামে একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন।দীর্ঘদিন ধরে ওই প্রধান শিক্ষক প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে সরকারি বিধিনিষেধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোচিং বাণিজ্য করে যাচ্ছে।অথচ কোচিং সেন্টারের দুই শত গজ সামনে রয়েছে সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়।এছাড়াও কোচিং সেন্টারটি যেখানে রয়েছে ওই সড়কের সামনে দিয়ে প্রতিদিন সরকারি কর্মকর্তাগন বিমানবন্দরে আশা যাওয়া করেন।তাছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন কোনো ভাবে কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকতে পারবেনা এমন সুস্পষ্ট উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে।এমনকি সরকারি ভাবে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন নিষেধাজ্ঞা থাকার তারপরও ওই শিক্ষক নির্ধায় চালিয়ে যাচ্ছে তার কোচিং বাণিজ্য।প্রশাসন ও মিডিয়ার লোকজনের দৃষ্টি আড়াল করতে ওই প্রধান শিক্ষক তার প্রচেষ্টা কোচিং সেন্টারের সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলেছে।যাতে কেউ সহজে বুঝতে না পারে যে এই স্হানে কোচিং চালানো হয়।তবে কোচিং সেন্টারের সীমানা প্রাচীরে প্রচেষ্টা টিউটোরিয়াল হোম লেখা দেখা যায়।তাছাড়া ওই প্রধান শিক্ষককের চাকুরীতে যাতে কোনো ধরনের ঝামেলায় না হয়।এইজন্য প্রধান শিক্ষক কোচিং সেন্টারে তার নিজের স্ত্রীকে বসিয়ে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।অথচ নেপথ্যে ওই প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেন’ই প্রচেষ্টা টিউটোরিয়াল হোমের মূল পরিচালক। অনুসন্ধানে এই তথ্য পাওয়ায়।এছাড়াও বিমানবন্দর সড়ককে ব্যঙ্গের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার গড়ে উঠেছে।ওইসব কোচিং সেন্টারের সাথে সরকারী ও বেসরকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পতোক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে কোচিং বাণিজ্যের সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে জানাযায়।
এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাতেন মুঠোফোনে বলেন, কোচিং সেন্টারটি তার স্ত্রীকে দিয়েছেন।সে কোচিং বাণিজ্যের সাথে সরাসরি জড়িত নয় বলে জানান।
এব্যাপারে নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার(ডিপিও)ওসমান গনি মুঠোফোনে বলেন, যথার্থ অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *