Published: June 2, 2020

করোনায় কারো পৌষ মাস-কারোবা সর্বনাশ


জাহিদুল হাসান জাহিদ-কোভিড১৯ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যখন বাংলাদেশে দেখা দেয়। সরকার এই মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে প্রতিটি সরকারি বেসরকারী অফিস আদালত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন।তখন গোটা দেশ এক প্রকার অঘোষিত লকডাউন হয়ে যায়।অলিখিত লগ ডাউনের কারণে সব ধরনের কলকারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়।২৬মার্চ থেকে ৩১মে পর্যন্ত অলিখিত লকডাউনের কারণে গোটা দেশের সবকিছুতে স্তব্ধতা নেমে আসে।এইসময় সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে বাঁচাতে বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা ঘোষণার মাধ্যমে বেশি কিছু দিক নির্দেশনাও প্রদান করেন।প্রধানমন্ত্রীর ওই দিক নির্দেশনা মূলক ঘোষণায় দেশবাসী দারুণ আনন্দিত হয়।বিশেষ করে করোনাভাইরাসের কারণে কাজ কর্ম বন্ধ হয়ে যায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ গুলো অনেক বেশি আনন্দিত হয়।প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দেশের খেটে খাওয়া মানুষ গুলো বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযোগিতা পাওয়াসহ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ঈদ উপহার ২৫০০টাকা মোবাইলের মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছে যায়।প্রধানমন্ত্রীর এই টাকা পেয়ে নিন্ম আয়ের মানুষগুলো ভিশন খুশি হয়।কিছু কিছু ক্ষেত্রে ত্রাণ বিতরণে জন প্রতিনিধিদের অনিয়ম হয়েছে।তার শাস্তিও তারা পেয়েছে।করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে সব শ্রেণীপেশার মানুষদের ঘরে থাকার জন্য সরকার আহবান করেন।সরকারের আহবানে সবাই ঘরে থাকার চেষ্ঠা করে।নিন্ম আয়ের কিছু মানুষ সাহায্য সহযোগিতা পাওয়াথ পরও তারা আরও বেশি সাহায্য পাওয়ার আশায় ঘরের বাইর হয়েছে।আবার কিছু কিছু নিন্ম আয়ের মানুষ কোনো ধরনের সাহায্য সহযোগিতা যারা পায়নি তারা করোনাকে ভয় না করে পেটের তাগিদে বিভিন্ন ভাবে ঘরের বাইর হয়েছে।অথচ মধ্যম আয়ের পরিবারের মানুষ গুলো ওই সময় ঘরে বন্দি থেকে অমানবতার জীবন যাপন করলেও তারা কারো কাছে কোনো ধরনের সাহায্য সহযোগিতা চায়নি বা পায়নি।বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক, অবৈতনিক উপজেলা পর্যায়ের সংবাদ কর্মীসহ এই ধরনের সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মীরাই পায়নি সাহায্য সহযোগিতা।এরপরও ওসব মানুষের কারো কাছে কোন অভিযোগ ছিলো না।কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান সহযোগীতা করেছে।আবার কিছু প্রতিষ্ঠান কারো কোনো খোঁজ খবর রাখেনি।এরপরও থেমে থাকেনি কারো জীবন।এতে কারো কোন আপত্তি বিপত্তি ছিলোনা।ওসব মধ্যম আয়ের মানুষের হাতে যখন তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল এক সাথে পরিশোধের জন্য দেয়া হয়।তখন ওইসব পরিবারগুলোর মধ্যে দেখা দিয়েছে দারুণ বিপত্তি সহ হতাশা। এমনিতে প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের বেতন ভাতা দেয়নি।অতি কষ্টে কোনো ভাবে দিনযাপন করছে।তারপর আবার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের চাপে পরিবার গুলো দিশেহারা।বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দায় সারা এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের দায় ভার কি শুধুই জনগণের।আবার বিদ্যালয় থেকে সন্তানের বেতন পরিশোধের জন্য মোবাইলে বার্তা পাঠানো হয়েছে।অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আর বিদ্যালয়ের বেতনের চাপে সাহায্য সহযোগিতা বঞ্চিত মধ্য আয়ের পরিবারের মানুষ গুলো চোখে সরষে ফুল দেখছে।আবার ষাট শতাংশ বাস ভাড়া বৃদ্ধিতে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *